আজ ঈদ।বাইরে প্রচুর বৃস্টি পরছে।আমি দরজায় দাড়িয়ে বৃৃষ্টি দেখছি। বৃষ্টি আমার কনো সময় ভালো লাগে নি কিন্তু আজ বেশ ভালো লাগছে।বৃষ্টির ফোঁটা মাটিতে পরার শব্দ অদ্ভুদ ভালো লাগা তৈরি করছে।নতুন জামা কিনতে পারি নি। বৃষ্টি পরার জন্য অব্যশ নতুন জামা পরে ঘর ছেরে বাহিরে বের হতে পারছে না কনো মানুষ।ছুটা,ছুটি করতে পারছে না বাচ্চারা।কার জামা কতো সুন্দর,ছোটরা আয়োজন করে দেখতে আসে।তা আর হচ্ছে না।ভালোই হলো।প্রত্যক জিনিসের ভালো দিক মন্দ দুটোই বিদ্যমান।মায়ের চোখ লাল এবং হালকা ফোলা।দেখেই বোঝা যাচ্ছে মা অনেক কেঁদেছে।আমাকে দেখে মুখে হাসির বৃথা চেষ্টা করছে।তাতে অবশ্য লাভ হচ্ছে না মুখে কান্নার ভাব দূর হচ্ছে না।কান্নার উদ্দেশ্য অবশ্য আমাকে ঘিরে।আজ ঈদের দিনে তার রাজপুত্রের পড়নে ময়লা ছেড়া শার্ট।আমার পড়নের শার্টটি পেয়েছি রমজান চাচার কাছ থেকে।চাচা শার্ট দিয়ে বললো এটা তোকে দিলাম রেখে দে।জানি শার্ট পুরনো।রমজান চাচার ছেলের গায়ে অনেক বার দেখেছি।তাতে কি আমাদের মতো মানুষেরা এতেই খুশী।মা রমজান চাচার বাড়িতে কাজ করেন।মা কাজ করে যা টাকা পায় তা দিয়ে অনেক কষ্টে দুবেলা খেতে পায়।মা আরালে চোখ মুচছে।মনে হয় আজ সারা দিন কাঁদবে।কাঁদুক কেঁদে মন হালকা করুক।আজ যদি আমার পরনে নতুন জামা হতো মায়ের চোখে খুশীর অশ্রু হতো।আমার মতো হাজার পরিবার আছে যারা ঈদে পর্যন্ত কাপড় কিনতে পারে না।যদি ঈদে নতুন জামা পেত বা কিনতে পারতো সেই আনন্দের অনুভুতি যে কি ব্যাখা করা আমার পক্ষে সম্ভব না।আমরা একটা জামা পেলে আকাশের চাঁদ হাতে পায়।সমাজে এমন কিছু প্রানি আছে তাদের নাকি একটি,দুটি জামাতে ঈদের মতো মনে হয় না।যে পায় না সে চায়, আর যে পায় সে আরো চায়।
মা বলেছিল ঈদ আনন্দ নিয়ে আসে।নাকি আমাদের মত মানুষের জন্য ঈদ চোখের কোণে অশ্রু নিয়ে আসে?
ঈদ মোবারক
