প্রিয় শুনছো
তোমার আঁচলে খুব সহজে ভাসে কালবৈশাখী
আমি ঝড়মুঠো করে কোনরকমে বেঁচে আছি
শরীরে নেমে আসে জ্বরখানিক;
এভাবে খড়কুটো নিয়ে ভাসা সংসারে
তুমিহীন বেঁচে থাকা বেশ অর্থহীন।
প্রিয় ঠোঁটে জেগে আছে কয়েক বছরের রৌদ্দুর
কাঁধে ঝুলে আছে রুক্ষ সেসব বেহিসাবী দুপুর
চোখের কোণে জমে থাকা বিষন্নতা,
হৃদয়ের রক্তক্ষরণে তোমার কথা;অথচ
তোমাকে সব বলতে না পেরে,আমি আজ শব্দহীন।
প্রিয় বলো আর কত শত দিন করে যাবো অপেক্ষা
এভাবে চাতকের মত পথ চেয়ে থেকে;দ্যাখো
ধুলো জমে গড়েছি পাহাড়সম বিষাদ;
এখন হারানো নদীর মতই দ্যাখো গুমরে কাঁদি
বুকে পেলে-পুষে রাখি সব চলে যাওয়ার ব্যর্থদিন।
এখন সুখের প্রতারণায়
প্রিয় কবিতাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে দারূণ অভাব
প্রতারিত মন নিয়ে আর বেঁচে থাকতে পারি না,
ধোয়া ওঠা কফির এক আধটু চুমুকে শায়িত হচ্ছে
জলন্ত বুকের সব ক্রোধ-দুঃখ-শিহরণ।
তারপর ঠিক কোন এক সুনিশ্চিত সন্ধ্যায়, শহরের কার্নিশে পা ঝুলিয়ে
আফিমময় চোখে বুদ হয়ে হেমলক পানে বিকিয়ে দেবো নিজেকে
আহত হৃদয় নিয়ে শব্দহীনের মত বেঁচে থাকা অর্থহীন সংসারে
ব্যাথাতুর মনে করা মিছি মিছি সব নীরব অভিমানের বশে
সম্পর্কের বিচ্ছেদ মেনে মিশে যাবো তারাদের আলোতে
ভালবেসে শয়নকক্ষ ছেড়ে ঘুমাবো অস্তমিত কবরে
যদি মনে পড়ে যায় আমায় বেখেয়ালী সমীকরণে
একটা গোলাপ রেখে এসো প্রিয় ভালবেসে!!
-------একটা গোলাপ
